মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

কাঁশপুর আদিবাসী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়

  • সংক্ষিপ্ত বর্ণনা
  • প্রতিষ্ঠাকাল
  • ইতিহাস
  • প্রধান শিক্ষক/ অধ্যক্ষ
  • অন্যান্য শিক্ষকদের তালিকা
  • ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা (শ্রেণীভিত্তিক)
  • পাশের হার
  • বর্তমান পরিচালনা কমিটির তথ্য
  • বিগত ৫ বছরের সমাপনী/পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল
  • শিক্ষাবৃত্ত তথ্যসমুহ
  • অর্জন
  • ভবিষৎ পরিকল্পনা
  • ফটোগ্যালারী
  • যোগাযোগ
  • মেধাবী ছাত্রবৃন্দ

অত্র কাঁশপুর গ্রামে দুই তৃতীয়াংশ আদিবাসী লোকের বাস। পাশের গ্রামগুলিও আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকা। এই আদিবাসী অধ্যুষিত এলাকাতে কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় আদিবাসী জনগোষ্ঠি শিক্ষা সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়। এর ফলে অন্য সম্প্রদায়ের কাছে এরা প্রতারনার শিকার হয়। বিভিন্ন ভাবে অন্যরা আদিবাসীদেরকে ঠকিয়ে তাদের সম্পদ হস্তগত করে। বিভিন্ন অবস্থার প্রেক্ষিতে কিছু সংখ্যক সমাজ সচেতন ব্যক্তি ও বিদ্যুানুরাগী সমাজ হিতৈষী ব্যক্তিবর্গ ব্যাপক আলাপ আলোচনান্তে একমত পোষন করে যে, যেহেতু ‘‘শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড’’ সেহেতু আদিবাসী জনগোষ্ঠির সার্বিক উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষাদীক্ষায় উন্নত করতে হবে। আর তা করতে হলে সর্বাগ্রে একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় প্রত্যেকের সহযোগীতায় একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের চুড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। গ্রামের অধিকাংশ লোক কিছু কিছু জমিদান করতঃ ০১-০১-১৯৫৭ ইং সালে উক্ত স্থানে বাঁশের বেড়া ও খড়ের চালা দিয়ে বিদ্যালয় গৃহ নির্মান করা হয়। গ্রামের ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করার সুযোগ পাওয়ায় অভিভাবকগণ মুষ্টি চাল তুলে শিক্ষক মহাশয়ের পারিশ্রমিক দেওয়ার বন্দোবস্ত করে। নিয়োগকৃত শিক্ষক ওই সামান্য পারিশ্রমিকের পরিবর্তে শিক্ষাদান কর্ম সম্পাদন করে। আশপাশের গ্রাম হতেও ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া শিখতে আসা যাওয়া শুরু করে। বহু চড়াই উৎরাই এ বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলতে থাকে। কিন্তু ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সকল লোকজন ভারতে চলে যাওয়ায় পাকিস্তানী দোসররা বিদ্যালয় গৃহটি জ্বালিয়ে ভষ্মীভূত করে। দেশ স্বাধীনের পর লোকজন আবারও বিদ্যালয় গৃহ নির্মান করে পুনরায় শিক্ষা কার্যক্রম ও পাঠদান কর্মসূচী শুরু করে। ৪ (চার) জন শিক্ষককে নিয়োগ দান দিয়ে পাঠদানের কার্য সুচারুরূপে পরিচালিত হয়। ১৯৮৬ সালের ১৫ই নভেম্বর বিদ্যালয়টিকে সরকারী করন করা হয়। অদ্যাবধি বিদ্যালয়টি সুন্দর সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত হইয়া আসিতেছে। প্রতি বৎসর অত্র বিদ্যালয় হইতে অনেক ছাত্র-ছাত্রী সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করিয়া খুব ভাল ফল করিয়া আসিতেছে। বিদ্যালয়টি সার্বিক উন্নতির জন্য শিক্ষক মন্ডলী ও পরিচালনা কমিটি যৌথভাবে নিরন্তর কাজ করিয়া যাইতেছেন। অতি সম্প্রতি বিদ্যালয় সংলগ্ন একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় স্থাপিত হইয়াছে। ভবিষ্যতে উক্ত বিদ্যালয়টিকে উচ্চ বিদ্যালয়ে উন্নীত করার পরিকল্পনা রহিয়াছে।

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
মনিবালা মাহাতো ০১৭২৭২৪৮৮২৭ kashpur.adibashi.gps@gmail.com

ছবি নাম মোবাইল ইমেইল
সোপাল চন্দ্র ০১৭৫৬২৫৯৭৬৬ kashpur.adibashi.gps@gmail.com
দিলীপ কুমার মহন্ত ০১৭১৪৬২২৭৬৮ kashpur.adibashi.gps@gmail.com
মিনা নাজনিন ০১৭১০২১৯৬৭০ kashpur.adibashi.gps@gmail.com

শ্রেণী

ছাত্র

ছাত্রী

মোট

শিশু

১২

১৩

২৫

১ম

১৩

১৭

৩০

২য়

১১

১১

২২

৩য়

১১

০৬

১৭

৪র্থ

০৮

১২

২০

৫ম

০৫

০৭

১২

মোট =

৬০

৬৬

১২৬

১০০%

ক্রঃ নং

নাম

পদের নাম

মন্তব্য

প্রফুল্ল চন্দ্র মাহাতো

সভাপতি

 

সখিন্দ্র নাথ মাহাতো

সহ-সভাপতি

 

নমিতা রানী

সদস্য

 

মোঃ জাহেদুল ইসলাম

সদস্য

 

রীনা রানী মাহাতো

সদস্য

 

পূর্নিমা রানী

সদস্য

 

মোঃ রমজান আলী

সদস্য

 

উপেন্দ্র নাথ মাহাতো

সদস্য

 

দিলীপ কুমার মহন্ত

সদস্য

 

১০

মোঃ হামিদুল ইসলাম

সদস্য

 

১১

মনিবালা মাহাতো

সদস্য-সচিব

 

পরীক্ষার সন

মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর সংখ্যা

পাশের হার

মন্তব্য

২০০৮

১৭

১৭

১০০%

 

২০০৯

১৫

১৫

১০০%

 

২০১০

২০

১৮

৯০%

 

২০১১

১১

১১

১০০%

 

২০১২

১২

১১

৯১%

 

বিদ্যালয়ের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ১০১ জন। তন্মমধ্যে ৫০% উপবৃত্তির আওতাভুক্ত।

প্রতি বৎসর অত্র বিদ্যালয় হইতে সমাপনী পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করে শতভাগ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে বিভিন্ন শিক্ষঅ প্রতিষ্ঠান হতে উচ্চ শিক্ষা অর্জনে সক্ষম হচ্ছে। পাশাপাশি সহ শিক্ষা কার্যক্রমে যেমন ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণ করে ইউনিয়ন পর্যায়ে চ্যাম্পিয়ন এবং উপজেলার রানার্সআপ এবং জেলা পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ করে থাকে। স্কাউটিং এ অত্র বিদ্যালয়ের কাব দল অংশ গ্রহণ করে থাকে।

বিদ্যালয়টি জমির পরিমানের উপর নির্ভর করে বিদ্যালয় গৃহের ভবন নির্মান করতঃ শ্রেণী কক্ষ সম্প্রসারন করে। নিম্ন মাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নীত করে আদিবাসী ছাত্র-ছাত্রীদের আবাসিক ছাত্রাবাস নির্মান ও আদিবাসী সংস্কৃতি সংরক্ষনের জন্য একটি আদিবাসী একাডেমী ভবন নির্মান করার পরিকল্পনা রহিয়াছে। কারন সমাজের উন্নয়ন করতে হলে শিক্ষার বিকল্প নাই। আগামীতে ছাত্র-ছাত্রীরা যাতে বৃত্তি পায় তার জন্য কঠোর পরিশ্রম করার জন্য শিক্ষকবৃন্দ যত্নবান হবেন। বেষ্টনী প্রাচীর নির্মান করতঃ শিশুদের বিনোদন উপযোগী চত্বর গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত আছে।

ভ্যান, রিক্সা, টমটম, ইজি পাওয়ার, মটর সাইকেল ইত্যাদি যাতায়াতের ব্যবস্থা আছে।

যেহেতু বিদ্যালয়টি অনগ্রসর আদিবাসী অধ্যুষিত প্রত্যন্ত এলাকায় অবস্থিত। সেহেতু কোন উচ্চ শিক্ষিত পরিবারের ছেলেমেয়েরা লেখাপড়া করে না। হত দরিদ্র পরিবারের ছেলে মেয়েরা লেখাপড়া করে এবং তাদের মধ্যে থেকেও অনেক ছেলে মেয়ে বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী অফিসে চাকুরীরত আছে।

১। মোঃ হাফিজার রহমান, ইঞ্জিনিয়ার- দুবাই

২। সনজিৎ মাহাতো, পুলিশ সদস্য

৩। ধনঞ্জয় মাহাতো, পুলিশ সদস্য

৪। বিপুল চন্দ্র মাহাতো, পুলিশ সদস্য

৫। জন্মভূমি মাহাতো, পুলিশ সদস্য

৬। কমল চন্দ্র মাহাতো, পুলিশ সদস্য

৭। উর্বশী রানী, শিক্ষক

৮। রিনা রানী, শিক্ষক

৯। ছাবেকাতুন নাহার, শিক্ষক